রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ২:১৪
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

বাইরে থেকে ঢাকার ভেতরে কাউকে ঢুকতে ও বের হতে দেবে না পুলিশ

ডেক্সরিপোর্ট  করোনা ভাইরাসের কারণে বাইরে থেকে ঢাকার ভেতরে মানুষে প্রবেশ এবং ঢাকা থেকে বাইরে যাওয়া বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ। সরকারের নির্দেশে সামাজিক দূরত্ব বাস্তবায়ন করতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মুখপাত্র সোহেল রানা।

রোববার (০৫ এপ্রিল) বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

সেখানে বলা হয়েছে, যখন বাংলাদেশের লকডাউন উপেক্ষা করে শনিবার হাজার হাজার গার্মেন্টস শ্রমিক নানা পদ্ধতি অবলম্বন করে ঢাকায় প্রবেশ করে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার এক পর্যায়ে গার্মেন্টস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত বদলে আবার ছুটি বাড়িয়ে দেবার ঘোষণা দেয় মালিকদের সংগঠন।

কিন্তু ততক্ষণে বহু শ্রমিক পায়ে হেঁটে, পণ্যবাহী যানবাহনে চড়ে ঢাকায় ঢুকে পড়েছে। এদিন সকালে ঢাকার বিভিন্ন রাস্তাতেই দেখা যায় বিভিন্ন কারখানা অভিমুখে শ্রমিকদের ঢল।

পুলিশের ওই কর্মকর্তা বলেন, এরই মধ্যে যারা ঢাকার বাইরে থেকে ঢাকার দিকে যাত্রা শুরু করেছেন, তাদের আমরা আটকে দিয়েছি এবং নিজ নিজ বাড়িতে ফিরিয়ে দিয়েছি। এছাড়া নতুন করে জড়ো হয়ে কাউকে ঢাকার দিকে রওনা হতে দিচ্ছি না আমরা।

সোহেল রানা জানান, শনিবার (৪ এপ্রিল) ঢাকার আশেপাশে অবস্থিত তৈরি পোশাক ও অন্যান্য কারখানার শ্রমিকদের কর্মস্থলের দিকে আসতে থাকার সময় জনসমাগমের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ এই ব্যবস্থা নিতে উদ্যোগী হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের হাইওয়ে পুলিশ, রেঞ্জ পুলিশ ও জেলা পর্যায়ের পুলিশ সদর দপ্তরের কন্ট্রোল রুমের সাথে সমন্বয় করে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে।

তবে মানুষের চলাফেরার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও জরুরি সেবার সাথে সংশ্লিষ্ট সব ধরণের পণ্য পরিবহন অব্যাহত থাকবে।

আবার কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হলে তারা নিজ নিজ বাড়িতে ফিরতে চাইলে তাদেরও নিরুৎসাহিত করা হবে। এছাড়া সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা না মানলে প্রয়োজনে পুলিশ আইনি ব্যবস্থাও নেবে বলে জানান সোহেল রানা।